কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শনিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫ এ ০৮:৪৬ PM
কন্টেন্ট: পাতা
কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, রামু – পৌঁছানোর নির্দেশনা
অবস্থান:
রামু কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা এলাকায় অবস্থিত। এটি কক্সবাজার–চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে, বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (BKSP) সংলগ্ন স্থানে অবস্থিত।
১. কক্সবাজার শহর থেকে যাত্রা
(ক) বাসে যাত্রা:
কক্সবাজার শহরের কলাতলী বা লাবণী পয়েন্ট থেকে প্রথমে কক্সবাজার বাস টার্মিনালে যান।
বাস টার্মিনাল থেকে ঈদগাহ বা রামুগামী লোকাল বাসে উঠুন।
রামু চা-বাগান টেক অতিক্রম করে জোয়ারিয়ানালা এলাকায় পৌঁছালে রাস্তার ডান পাশে BKSP (বি.কে.এস.পি) সংলগ্ন রামু কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রধান ফটক দেখতে পাবেন।
সেখানে নামলেই আপনি গন্তব্যে পৌঁছে যাবেন।
(খ) সিএনজি/অটোরিকশা:
কলাতলী, লাবণী বা বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে সরাসরি সিএনজি বা অটোরিকশা ভাড়া করে রামু টিটিসিতে যেতে পারেন।
ড্রাইভারকে বলুন: “চা-বাগান বাজার পার হয়ে বি.কে.এস.পি সংলগ্ন রামু টিটিসি।”
যাত্রাপথে আনুমানিক সময় লাগবে প্রায় ৩০–৪০ মিনিট, যানজটের ওপর নির্ভর করে।
২. প্রাইভেট গাড়িতে যাত্রা
কক্সবাজার শহর থেকে কক্সবাজার–চট্টগ্রাম মহাসড়ক ধরে রামুর দিকে যাত্রা করুন।
জোয়ারিয়ানালা বাজার অতিক্রমের পর রাস্তার ডান পাশে রামু টিটিসি সাইনবোর্ড দেখতে পাবেন।
সহজ নির্দেশনার জন্য Google Maps-এ “Ramu Technical Training Center (TTC)” লিখে অনুসন্ধান করলে সরাসরি গন্তব্য নির্দেশনা পাওয়া যাবে।
৩. ঢাকা বা দেশের অন্যান্য স্থান থেকে আগত যাত্রীদের জন্য
ঢাকা বা অন্যান্য জেলা থেকে কক্সবাজারগামী বাসে যাত্রা করলে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক ধরে রামুর দিকে আসুন।
চা-বাগান টেক অতিক্রমের পরপরই রাস্তার পাশে BKSP সংলগ্ন রামু কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র অবস্থিত।
চাইলে বাস থেকে সরাসরি রামু টিটিসির সামনে নামা সম্ভব।
৪. রেলপথে আগত যাত্রীদের জন্য
কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশনে নামার পর চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক ধরে টমটম, সিএনজি বা প্রাইভেট গাড়িতে রওনা দিন।
রামুর দিকে যাত্রা করতে করতে চা-বাগান টেক অতিক্রম করে জোয়ারিয়ানালা এলাকায় পৌঁছালে, রাস্তার ডান পাশে BKSP সংলগ্ন রামু কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রধান ফটক দেখতে পাবেন।
৫. অতিরিক্ত পরামর্শ
ভ্রমণের আগে নির্ভুল দিকনির্দেশনা বা স্থান শনাক্তের জন্য রামু কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অফিসে ফোনে যোগাযোগ করা যেতে পারে। এতে যাত্রা আরও সহজ ও নিশ্চিন্ত হবে।